পণ্য আমদানি করে লাভের মুখে দেশ

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। তবে পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল, দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ দেশে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, এ রকম অনেক পণ্য আমদানি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা অবশ্য বলেন, আমদানি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এখনো অনেক পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খুলতে মার্জিন দিতে হয় বেশি। এমনকি বাণিজ্যিক পণ্যের আমদানি বাড়লেও দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে বলে ধরে নেওয়া হয়। আর আমদানি কমলে উৎপাদনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমদানি কমার তালিকায় রয়েছে সিমেন্টের কাঁচামাল ক্লিংকার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ক্লিংকার আমদানি হয়েছিল ২ কোটি ৫ লাখ টন। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে তা কমে ১ কোটি ৯০ লাখ টনে নেমেছে। এ জন্য ব্যাংকের সুদের হার কমানোসহ উদ্যোক্তাদের নীতিসহায়তা দিতে হবে। তাহলে বিনিয়োগের যন্ত্রপাতি আমদানি বাড়বে।