দেশকে দূষণ মুক্ত করতে এগিয়ে আসতে হবে সাধারণ নাগরিক কেও

শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এই সময়ে বিশ্বের অন্যতম দূষিত এলাকার তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশ। এই শুষ্ক মৌসুমে বৃষ্টিপাত খুবই কম থাকে। অন্যদিকে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত দূষণের পরিমাণ কম থাকে। এ সময় বৃষ্টি হয়, তখন বৃষ্টির ওয়াশিং ইফেক্ট থাকে। ঢাকায় বায়ুদূষণের প্রধান উৎস ছয়টি। এই উৎসগুলো হলো রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও নির্মাণ কাজ, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, বর্জ্য পোড়ানো, ইটের ভাটা ও শিল্পকারখানা, আন্তদেশীয় বায়ুদূষণ এবং গৃহস্থালিত রান্নার চুলা থেকে দূষণ। কিন্তু জুন-জুলাই মাসে এই উৎস থেকে সৃষ্টি হওয়া দূষিত বাতাস বৃষ্টির মাধ্যমে নিচে পতিত হয়।
বাংলাদেশে আজ থেকে ১০ থেকে ১৫ বছর আগে শিল্পকারখানা এবং ইটের ভাটা থেকে প্রায় ৫৮ ভাগ দূষণ হতো। ইটের ভাটা ও শিল্পকারখানা থেকে যে দূষণ হতো, পরিমাণগত দিক থেকে তা কমেনি। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা একদিনের কাজ নয়। একক কোনো প্রতিষ্ঠান এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এখানে সবার সম্মিলিত প্রয়াস দরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে দূষণ নিয়ন্ত্রণে যে নির্দেশিকা তৈরি করেছে, সেখানে ২১টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার বিভিন্নভাবে দূষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ রয়েছে। দূষণের সঙ্গে জড়িত এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি এই সংস্থাগুলোকে যুক্ত করা হয়েছে।