October 25, 2026

Khabar BD

Bangladesh Updates

ত্বক সুন্দর রাখতে কী খাবেন?

অনেকেই ত্বকের যত্ন বলতে কেবল প্রসাধনী ব্যবহারের কথা ভাবেন, কিন্তু সুস্থ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সঠিক পুষ্টি গ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভেতর থেকে পুষ্টি না পেলে বাইরে যত যত্নই নেওয়া হোক, ত্বক দীর্ঘদিন ভালো থাকে না। তাই কী ধরনের পুষ্টি দরকার, তা জানা থাকা চাই।

প্রথমেই বলতে হয় ভিটামিন এ-এর কথা। এটি ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে। গাজর, মিষ্টিকুমড়া, পালংশাক ও ডিমের কুসুমে ভিটামিন–এ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। নিয়মিত এসব খাবার খেলে ত্বক থাকে কোমল ও মসৃণ।

ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা ধরে রাখতে ভিটামিন–সি অত্যন্ত জরুরি। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়, যা ত্বককে টানটান রাখে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। লেবু, কমলা, আমলকী, পেয়ারা ও টমেটোতে ভিটামিন–সি বেশি থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ফলগুলো রাখা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ভিটামিন–ই। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, অ্যাভোকাডো ও উদ্ভিজ্জ তেলে ভিটামিন–ই পাওয়া যায়। নিয়মিত এই খাবারগুলো খেলে ত্বকের বয়সের ছাপ ধীরে পড়ে।

ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে এবং প্রদাহ কমায়। সামুদ্রিক মাছ (যেমন ইলিশ, স্যালমন), আখরোট ও তিসির বীজে ওমেগা-৩ পাওয়া যায়। যাঁদের ত্বক শুষ্ক বা সংবেদনশীল, তাঁদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।

জিংক নামক খনিজ উপাদানও ত্বকের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। এটি ব্রণ কমাতে সাহায্য করে এবং ক্ষত দ্রুত সারাতে ভূমিকা রাখে। ডাল, বাদাম, বীজ ও গোটা শস্যে জিংক পাওয়া যায়। নিয়মিত এসব খাবার খেলে ত্বক পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকে।

ত্বকের সুস্থতার জন্য প্রোটিনের গুরুত্বও কম নয়। প্রোটিন কোলাজেন ও ইলাস্টিন তৈরিতে সাহায্য করে, যা ত্বকের গঠন ঠিক রাখে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও ডাল থেকে পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *