গরমের রোগব্যাধি ও সতর্কতা
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশিরভাগ দেশে তাপমাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে, যার ফলে আগের দশকগুলোর তুলনায় গ্রীষ্মকাল এখন আরও বেশি গরম হচ্ছে। আমাদের দেশে এই বর্ধিত তাপের কারণে অসহনীয় গরম, উচ্চ আর্দ্রতা এবং দূষণ দেখা যায়, যা শিশু, বয়স্ক এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিসহ অনেককেই নির্দিষ্ট কিছু অসুস্থতার প্রতি আরও বেশি সংবেদনশীল করে তোলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গ্রীষ্মকালে কোন রোগগুলো সম্পর্কে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে-
এটি তাপজনিত সবচেয়ে গুরুতর অসুস্থতা। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে এবং তিনি কোনোভাবেই নিজেকে ঠান্ডা করতে পারেন না। হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শুষ্ক, গরম ত্বক, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন এবং জ্ঞান হারানো। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা বাইরের কর্মীরা হিট স্ট্রোকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন।
গরম আবহাওয়ায় ঘামের মাধ্যমে পানি বেরিয়ে যাওয়ার কারণে দিনের যেকোনো সময় পানিশূন্যতা হতে পারে। পানিশূন্যতার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তীব্র তৃষ্ণা, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি। গুরুতর পানিশূন্যতা শেষ পর্যন্ত কিডনি বিকল এবং নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে।
গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে, কারণ কাঁচা খাবার এবং পানি ব্যাকটেরিয়া এবং/অথবা ভাইরাস দ্বারা দূষিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। ডায়রিয়ার ফলে বারবার পাতলা পায়খানা হয়, শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পানিশূন্যতা দেখা দেয়, বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে।
কলেরা হলো দূষিত পানি পানের কারণে সৃষ্ট এক মারাত্মক ধরনের ডায়রিয়া। কলেরার কারণে হঠাৎ করে প্রচুর পরিমাণে পাতলা পায়খানা হতে পারে এবং দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। মুখে বা শিরায় তরল (IV fluids) দিয়ে দ্রুত চিকিৎসা না করা হলে কলেরা প্রাণঘাতী হতে পারে।
দূষিত খাবার খাওয়া বা দূষিত পানি পানের কারণে টাইফয়েড হয়। টাইফয়েডের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মাত্রার জ্বর, পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি। চিকিৎসা না করালে টাইফয়েডের ফলে অন্ত্র ছিদ্র (ক্ষতি) হতে পারে।
হেপাটাইটিস এ হলো যকৃতের একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা দূষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে ছড়ায়। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বমি বমি ভাব।
যদিও বর্ষাকালে এটি বেশি দেখা যায়, তবে গ্রীষ্মের শেষের দিকে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ জ্বর, গাঁট বা মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা, ফুসকুড়ি এবং প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যাওয়া।
পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান করে, ভালো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, শুধুমাত্র ভালোভাবে রান্না করা খাবার খেয়ে, পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি পান করে এবং নিজেকে তাপ ও মশা থেকে রক্ষা করে গ্রীষ্মকালীন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমানো যায়।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশিরভাগ দেশে তাপমাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে, যার ফলে আগের দশকগুলোর তুলনায় গ্রীষ্মকাল এখন আরও বেশি গরম হচ্ছে। আমাদের দেশে এই বর্ধিত তাপের কারণে অসহনীয় গরম, উচ্চ আর্দ্রতা এবং দূষণ দেখা যায়, যা শিশু, বয়স্ক এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিসহ অনেককেই নির্দিষ্ট কিছু অসুস্থতার প্রতি আরও বেশি সংবেদনশীল করে তোলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গ্রীষ্মকালে কোন রোগগুলো সম্পর্কে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে-
এটি তাপজনিত সবচেয়ে গুরুতর অসুস্থতা। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে এবং তিনি কোনোভাবেই নিজেকে ঠান্ডা করতে পারেন না। হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শুষ্ক, গরম ত্বক, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন এবং জ্ঞান হারানো। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা বাইরের কর্মীরা হিট স্ট্রোকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন।
গরম আবহাওয়ায় ঘামের মাধ্যমে পানি বেরিয়ে যাওয়ার কারণে দিনের যেকোনো সময় পানিশূন্যতা হতে পারে। পানিশূন্যতার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তীব্র তৃষ্ণা, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি। গুরুতর পানিশূন্যতা শেষ পর্যন্ত কিডনি বিকল এবং নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে।
গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে, কারণ কাঁচা খাবার এবং পানি ব্যাকটেরিয়া এবং/অথবা ভাইরাস দ্বারা দূষিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। ডায়রিয়ার ফলে বারবার পাতলা পায়খানা হয়, শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পানিশূন্যতা দেখা দেয়, বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে।
কলেরা হলো দূষিত পানি পানের কারণে সৃষ্ট এক মারাত্মক ধরনের ডায়রিয়া। কলেরার কারণে হঠাৎ করে প্রচুর পরিমাণে পাতলা পায়খানা হতে পারে এবং দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। মুখে বা শিরায় তরল (IV fluids) দিয়ে দ্রুত চিকিৎসা না করা হলে কলেরা প্রাণঘাতী হতে পারে।
দূষিত খাবার খাওয়া বা দূষিত পানি পানের কারণে টাইফয়েড হয়। টাইফয়েডের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মাত্রার জ্বর, পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি। চিকিৎসা না করালে টাইফয়েডের ফলে অন্ত্র ছিদ্র (ক্ষতি) হতে পারে।
হেপাটাইটিস এ হলো যকৃতের একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা দূষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে ছড়ায়। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বমি বমি ভাব।
যদিও বর্ষাকালে এটি বেশি দেখা যায়, তবে গ্রীষ্মের শেষের দিকে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ জ্বর, গাঁট বা মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা, ফুসকুড়ি এবং প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যাওয়া।
পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান করে, ভালো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, শুধুমাত্র ভালোভাবে রান্না করা খাবার খেয়ে, পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি পান করে এবং নিজেকে তাপ ও মশা থেকে রক্ষা করে গ্রীষ্মকালীন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমানো যায়।
