July 29, 2026

পদোন্নতিমূলক বদলির আদেশের পরও নতুন কর্মস্থলে যোগ নয়, ঢাকা ওয়াসার কর্মকর্তাকে ঘিরে রহস্য

ঢাকা ওয়াসা কী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকেও লোভনীয় স্থান! সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মিজানুল হক-এর বদলিকে ঘিরে মানুষের মনে এই প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি ঢাকা ওয়াসা থেকে পদোন্নতির বদলি হলেও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের নতুন কর্মস্থলে যাচ্ছেন না। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে নানা বাহানায় ঢাকা ওয়াসার কর্মস্থলেই সময়ক্ষেপণ করছেন। আর এ কারণেই তাকে নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে গত ১১ই জুন এই পদোন্নতিমূলক বদলি করা হলেও এই কর্মকর্তা অফিসিয়াল অর্ডারকে অমান্য করে এখনো ওয়াসাতেই সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ।এই নিয়ে তার সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
ইকোনোমিক ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্থ হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তার পদোন্নতি হলেও তিনি বদলিকৃতস্থানে কেন যোগদান করছেন না তা এখনো রহস্যাবৃত। তাকে বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি ধরেননি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাকে ক্ষুদ্র বার্তা পাঠালেও তিনি নীরব থেকেছেন। একবার মুঠোফোনে সংযোগ পেলেও তিনি বলেন, আমি মিটিংয়ে রয়েছি, কথা বলা যাবে না। কখন কথা বলা যাবে বললে, লাইন কেটে দেন। আসলে তার এহেন আচরণের রহস্য কি?
এরআগে ঢাকা ওয়াসায় এএমএম ইকরাম নামে একজন রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন। ২০১৪ সালে ইকরামের বিরুদ্ধে ওয়াসায় একটি অদ্ভুত অভিযোগ জমা পড়ে। সেখানে বলা হয়, ইকরাম একই সঙ্গে নোয়াখালী পৌরসভায় সচিব হিসাবে চাকরি এবং বেতন তুলছেন। পরে ইকরামকে সাময়িক বরখাস্ত করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ধরা পড়ে ইকরামের তেলেসমাতি কারবার। দেখা যায়, দুই জায়গা থেকে টানা ৯ বছর তিনি বেতনও তুলেছেন। অবশেষে ধরা পড়ার পর তিনি পৌরসভার চাকরিটি ছেড়ে দেন। ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ শাস্তি হিসাবে তাকে নিম্নতর বেতন স্কেলে নামিয়ে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *