প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় পুষ্টিবিদদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর তাগিদ
দেশে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং প্রমাণভিত্তিক পুষ্টিসেবা নিশ্চিত করতে পুষ্টিবিদ ও পথ্যবিদদের ভূমিকা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আধুনিক পথ্য ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং গবেষণাভিত্তিক পুষ্টিসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।
বুধবার রাজধানীর সার্ডাপ (CIRDAP) মিলনায়তনে ‘উন্নত রোগী সেবা নিশ্চিত করতে ক্লিনিক্যাল পথ্যবিদ্যার অগ্রগতি’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে বক্তারা এসব মতামত তুলে ধরেন। ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সংলাপে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষা খাতের নীতিনির্ধারক, চিকিৎসক, পথ্যবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে চিকিৎসানির্ভর না রেখে প্রতিরোধকেন্দ্রিক করতে হবে। এজন্য পুষ্টিবিদদের মূল স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা, মাঠপর্যায় পর্যন্ত তাঁদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং পেশাটির জন্য একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।
বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের পরিচালক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর পুষ্টিবিদদের গবেষণায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। মূল প্রবন্ধে বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার মহুয়া বলেন, অপুষ্টি, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ ও ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বৈজ্ঞানিক পুষ্টিসেবার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তাই দক্ষ জনবল তৈরি, গবেষণার প্রসার এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পুষ্টিসেবাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
