মাগুরায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে শিক্ষিকাকে হত্যা: লাশ উদ্ধার টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে
মাগুরা সদর উপজেলায় নিজ ঘর থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর এক প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকার মরদেহ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষিকার নাম সুলতানা খাতুন (৪৫), যিনি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং একাই বাড়িতে বসবাস করতেন। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘরের মেঝের এক কোণায় সিঁধ কাটার আলামত দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয় এবং শেষপর্যন্ত বাড়ির পেছনের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তাঁর মৃতদেহ ভেসে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের মাথায় ও শরীরে ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। পুলিশের ধারণা, সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে দুষ্কৃতকারীরা চুরি বা ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালায় এবং পরবর্তীতে ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ও সিআইডির একটি বিশেষ টিম যৌথ তদন্ত শুরু করেছে, এবং ঘটনার বিস্তারিত রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
