বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে মির্জা ফখরুল ও হাফিজ
ঘনিয়ে এসেছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইসিকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটাভুটির মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হবেন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র পেশ করা যাবে, যা ১৬ আগস্ট বাছাই শেষে ১৮ আগস্টের মধ্যে প্রত্যাহার করা যাবে। ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর নতুন রাষ্ট্রপ্রধান বাছাইয়ের পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। জ্যেষ্ঠতা, ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিএনপি চেয়ারম্যানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত প্রার্থীর নাম জানানো হবে।
সংসদে বিএনপির স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হওয়া সময়ের ব্যাপার। তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী পৃথক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এবার ভোটগ্রহণ আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এর আগে ১৯৯১ সালে একাধিক দল প্রার্থী দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সবশেষ ভোটাভুটি হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ জানান, নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই তা প্রজ্ঞাপন ও বিজ্ঞপ্তি আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
