পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে ৩০০ কোটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
কোথাও পাকা ফল তোলার প্রস্তুতি চলছে, কোথাও নতুন ফল ধরছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত লতায় লতায় হলুদ ফুলে ভরে উঠেছে। প্রতি বছরের মতো এবারও এই অর্থকরী ফসলকে ঘিরে নতুন স্বপ্নের বুনন চলছে উপকূলীয় অঞ্চলের চাষিদের মনে। নদী ও সাগরবেষ্টিত পটুয়াখালী জেলার চরাঞ্চলগুলোতে এবার তরমুজের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রমজানের প্রথম সপ্তাহেই বাজারে তরমুজ তোলার লক্ষ্য নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করছেন তারা। এ জেলায় উৎপাদিত তরমুজ স্বাদে মিষ্টি ও গুণগত মানে উন্নত হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে তরমুজ উৎপাদন, পরিবহন, বীজ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত মিলিয়ে জেলায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কেবল তরমুজ বিক্রি থেকেই প্রায় ২০০ কোটি টাকা লেনদেনের আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেতে ইতিমধ্যে আগাম ফলন এসেছে। লাভজনক হওয়ায় পেশাদার কৃষকদের পাশাপাশি শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তারাও এখন তরমুজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকছেন। পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া নদীর চরের চাষি মো. জামাল জানান, আগে একটি কীটনাশক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার তিনি ৯ কানি জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি ১৪ থেকে ১৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা করছেন।
