ইবাদতের প্রত্যাবর্তন: চার পেসারে কি শক্তিশালী হবে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ?
দীর্ঘদিন চোটের সাথে লড়াই শেষে মাঠে ফিরেছেন পেসার ইবাদত হোসেন। তার এই প্রত্যাবর্তনের সাথে সাথেই দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে— বাংলাদেশ কি তবে আসন্ন ম্যাচগুলোতে চার পেসার নিয়ে মাঠে নামার সাহস দেখাবে? ইবাদতের উপস্থিতি দলের পেস বোলিং বিভাগকে যে অনেকটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং হাসান মাহমুদের সাথে ইবাদত যুক্ত হলে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ হবে যেকোনো দলের জন্য বড় ভীতি।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ স্পিন-নির্ভর বোলিং বিভাগ নিয়ে খেলতে অভ্যস্ত হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চিত্রটি পাল্টেছে। বিদেশের মাটিতে সাফল্যের জন্য পেসারদের ভূমিকা এখন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইবাদত হোসেনের মতো ‘অটোমেটিক চয়েজ’ যখন দলে ফেরেন, তখন টিম ম্যানেজমেন্টের সামনে চার পেসার খেলানোর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দুই-ই তৈরি হয়। বিশেষ করে গতি আর বাউন্সে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার ক্ষেত্রে ইবাদত নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন।
তবে মূল প্রশ্ন হলো টিম কম্বিনেশন নিয়ে। চার পেসার খেলালে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান বা একজন স্পিনারকে দলের বাইরে রাখতে হবে। কন্ডিশন যদি পেস সহায়ক হয়, তবে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা এই ঝুঁকি নিতেই পারেন। ইবাদতের ফেরা কেবল দলের শক্তি বাড়ায়নি, বরং নির্বাচকদের সামনে মধুর সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার বিষয়, মাঠের লড়াইয়ে ‘সিলেট রকেট’ খ্যাত এই পেসারের সাথে বাকি তিন পেসারকে একসাথে গর্জে উঠতে দেখা যায় কি না।
