August 30, 2026

ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হলো কবি নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা ও কবির পরিবার পৃথকভাবে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে সমাধি প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে ভিসির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) প্রফেসর ড. আবদুস সালাম ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. তারিক মনজুর স্মারক বক্তৃতা দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন)।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং জাতীয় কবির নাতনি খিলখিল কাজী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামি‘আয় বাদ ফজর কোরআনখানিও অনুষ্ঠিত হয়। পরে সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন।

এদিকে, ‘আমারে দেবো না ভুলিতে’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর। সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন  একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন।
আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

সন্ধ্যায় ছায়ানট মিলনায়তনে ‘নজরুলের গানে মাতোয়ারা ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান হয়।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক সংগীত শিল্পী লাইসা আহমদ লিসা।
এরপরই শুরু হয় প্রথম পর্বের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
দ্বিতীয় পর্বে শিল্পীদের একক কণ্ঠের গানের মধ্য দিয়ে কবির প্রেম, বিরহ ও আধ্যাত্মিক ভাবধারা ফুটে ওঠে। এরপর একক গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *