র্যাব বিলুপ্ত হয়ে আসছে এসআরবি, মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন
র্যাব বা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। র্যাবের বর্তমান জনবল, অস্ত্র, ক্ষমতা, তহবিল ও অন্যান্য সব সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরিত হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই ইউনিট কার্যকর হলে বর্তমান র্যাব কাঠামোর অবলুপ্তি ঘটবে।
অনুমোদিত খসড়া অনুযায়ী, নতুন এই বিশেষায়িত ইউনিটটি সম্পূর্ণভাবে পুলিশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। বাহিনীটির প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা ও পরিচালন প্রক্রিয়া সুনির্দিষ্ট করতেই এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরবির কার্যক্রম শুরু হবে।
২০০৪ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (Rapid Action Battalion) গঠন করেছিল।এটি পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ বাহিনী ছিল। সন্ত্রাস দমন, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, এবং চাঞ্চল্যকর অপরাধের তদন্ত করাই ছিল মূল কাজ। বিগত বছরগুলোতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
