প্লাস্টিক দূষণ মুক্ত করতে বিভিন্ন দেশ থেকে নেওয়া হয়েছে নানান পদক্ষেপ

বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক দূষণ রোধে একটি বাধ্যতামূলক চুক্তি করার লক্ষ্যে প্রায় ১৮০টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ১০ দিনের আলোচনা শুরু হচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে আয়োজিত আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারার পর চলতি বছর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আবারও এই আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২২ সালে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো ২০২৪ সালের মধ্যে একটি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে দক্ষিণ বুসানের আলোচনায় বড় ধরনের মতভেদের কারণে অগ্রগতি থেমে যায়। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার মতে, এই সমস্যার যদি সমাধান না করা হয়, তাহলে ২০৬০ সালের মধ্যে প্লাস্টিক ব্যবহারের পরিমাণ তিনগুণ হতে পারে।
চুক্তিতে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হলো- নতুন প্লাস্টিক উৎপাদন সীমিত করা হবে কিনা। সৌদি আরব, ইরান ও রাশিয়ার মতো পেট্রোলিয়াম উৎপাদনকারী দেশগুলো এ ধরনের সীমাবদ্ধতার বিপক্ষে। উন্নয়নশীল দেশগুলো আলোচনায় আগ্রহী। কারণ তারা হয়তো নিজেরাই প্লাস্টিক উৎপাদক, অর্থনীতিতে চুক্তির প্রভাব পড়তে পারে, আবার কেউ কেউ দূষণের শিকার হয়ে এর প্রতিকার চাইছে। আইপিইএন’র নির্বাহী পরিচালক বিয়র্ন বিলার বলেন, আলোচকরা চান, আরেক রাউন্ডে না গিয়েই একটি কাঠামো চুক্তিতে পৌঁছাতে। কিন্তু কাঠামো থাকলেই তা কার্যকর হবে না, সেটির প্রকৃত প্রয়োগযোগ্যতা, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন দিয়ে পূর্ণ করতে হবে। অন্যথায়, এই চুক্তি কেবল একটি ফাঁকা খোলস হয়েই থেকে যাবে।